হাদি হত্যার আসামিদের ভারত থেকে হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু

সর্বমোট পঠিত : 38 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

উল্লেখ্য যে, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে জুমার নামাজ শেষে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল আরোহী দুই ব্যক্তির গুলিতে গুরুতর আহত হন ওসমান হাদি। এরপর ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। 

ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও সহযোগী আলমগীর হোসেনকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আসামিদের বাংলাদেশে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে বলে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে।

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, আজ রোববার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ হাদী হত্যার প্রধান আসামি শ্যুটার ফয়সাল এবং আলমগীরকে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বনগাঁও থেকে আটক করে।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দাদের সুস্পষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও মূল শ্যুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল আজ ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। রোববার ভারতের সংবাদ সংস্থা এএনআই এবং পশ্চিমবঙ্গের গণমাধ্যম ‘এই সময়’ তার গ্রেপ্তারের বিষয়টিও নিশ্চিত করেছে। ফয়সালের সঙ্গে এই হত্যাকাণ্ডের অপর এক অভিযুক্ত আলমগীর হোসেনকেও গ্রেপ্তার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। 

গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের পর তারা সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে পালিয়ে আত্মগোপন করেছিলেন। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এই গ্রেপ্তারকে বড় এক সাফল্য হিসেবে বর্ণনা করেছে। কেননা হাদি হত্যার পর বাংলাদেশে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। 

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ডিজিএফআই-এর নবনিযুক্ত মহাপরিচালক ভারত সফর করেন। সফরকালে তিনি ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে হাদী হত্যা মামলার আসামিসহ সকল সন্ত্রাসীদের আটক করে বাংলাদেশের ফেরত পাঠানোর জন্য চাপ দিয়েছেন। 

এই প্রেক্ষাপটে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ সুস্পষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হাদি হত্যার এই দুই আসামিকে আজ আটক করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও, বাংলাদেশের আহবানের প্রেক্ষিতে ভারতে বসে বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারণাকারীদের বিরুদ্ধেও সাঁড়াশি অভিযান চালাবে বলে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চয়তা দিয়েছে। 

উল্লেখ্য যে, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে জুমার নামাজ শেষে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল আরোহী দুই ব্যক্তির গুলিতে গুরুতর আহত হন ওসমান হাদি। এরপর ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। 

হাদি হত্যাকাণ্ডের পর আসামির পরিবারের সদস্য ও সহযোগীদের গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিলে ছয়জন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। 

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি