বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, এবার সংরক্ষিত নারী আসনগুলো হবে নবীন-প্রবীণের মিশ্রণে। তিনি বলেন, অবশ্যই নারী এমপিদের ক্ষেত্রে তাদের রাজনৈতিক অবদান দেখা হবে। দলের প্রতি, আন্দোলনে, দেশের প্রতি– এসব দেখা হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতা, সামাজিকভাবে তিনি কতটুকু অবদান রেখেছেন এসব বিষয় দেখা হবে। বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে তার কোনো ভূমিকা আছে কিনা তা দেখা হবে।
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে দৌড়ঝাঁপ, এগিয়ে কারা
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে দৌড়ঝাঁপ, এগিয়ে কারা
সংরক্ষিত কোটায় ত্রয়োদশ সংসদে যেতে চান রাজপথে দীর্ঘ আন্দোলন করা মহিলা দল এবং ছাত্রদল করা শতাধিক নেত্রী। এর মধ্যে যারা সংসদ নির্বাচনে হেরেছেন, এমনকি যারা মনোনয়নই পাননি তারাও যেতে চান সংসদে। বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, ত্যাগ, অভিজ্ঞতা ও অবদান বিবেচনায় প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।
হেলেন জেরিন খান। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে ইডেন মহিলা কলেজের নির্বাচিত ভিপি। ২০০১ সালে সংরক্ষিত আসনে ছিলেন বিএনপির সংসদ সদস্য। ৪২ বছর ধরে রাজনীতি করা বিএনপির এই সহ-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সংরক্ষিত আসনে যেতে চান সংসদে।
সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির সহ শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হেলেন জেরিন খান বলেন, পার্লামেন্টে শুধু গেলেই হবে না, সেখানে কথা বলার একটা বিষয় আছে, আইন প্রণয়নের বিষয় আছে। এসব বিষয় চিন্তা করলে সৎ, যোগ্য, দক্ষ ও সুশিক্ষিত নারী নেতৃত্ব আসা দরকার। সেভাবেই নিজেকে গড়েছি, এখন মূল্যায়নের দায়িত্ব আমার দলের।
বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরীন। বরিশাল জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তিনি। অষ্টম সংসদে সরক্ষিত আসনে ২০০১ সালে ছিলেন সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, দলের প্রত্যেকটা কর্মসূচি, আন্দোলন–সংগ্রামে দলের পাশে ছিলাম। দল মূল্যায়ন করেছে। আমরা যারা দলের পাশে ছিলাম কঠিন সময়ে, বিশ্বাস করি তাদের দল মূল্যায়ন করবে।
মার্চের মাঝামাঝি বসতে পারে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন। অধিবেশন শুরু হলেই সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটার তালিকা প্রস্তুত করে নির্বাচন কমিশনে (ইসিত) পাঠাবে সংসদ সচিবালয়। এরপর ঘোষণা হবে তফসিল। আসন অনুপাতে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের মধ্যে বিএনপি পাবে ৩৫টি।
বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, এবার সংরক্ষিত নারী আসনগুলো হবে নবীন-প্রবীণের মিশ্রণে। তিনি বলেন, অবশ্যই নারী এমপিদের ক্ষেত্রে তাদের রাজনৈতিক অবদান দেখা হবে। দলের প্রতি, আন্দোলনে, দেশের প্রতি– এসব দেখা হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতা, সামাজিকভাবে তিনি কতটুকু অবদান রেখেছেন এসব বিষয় দেখা হবে। বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে তার কোনো ভূমিকা আছে কিনা তা দেখা হবে।
মনোনয়নপ্রত্যাশীদের কেউ কেউ এর আগে সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হয়েছিলেন। কেউ হয়েছিলেন মনোনয়নবঞ্চিত। এবার সবার প্রত্যাশা থাকলেও দলীয় প্রধানের হাতেই নির্ধারণ হবে ভাগ্য।
মন্তব্য