জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. নুরুজ্জামান বাদল বলেন, ‘নির্বাচিত হলে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে পদক্ষেপ নেব। আমার বিশ্বাস এই প্রাণীদের জন্য অভয়ারণ্য সৃষ্টি করতে পারলে বিশেষ করে হাতি দেখতে শেরপুরে অনেক পর্যটক আসবে।’
শেরপুর-৩ আসনে ভোটের মূল ইস্যু উন্নয়ন ও হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে যিনি অগ্রগামী তাঁকেই বেছে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন সীমান্তঘেঁষা শেরপুর-৩ শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী আসনের গারো পাহাড়ি এলাকার মানুষ। এ ছাড়া এলাকায় হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে যে প্রার্থী কাজ করবেন, ভোটের লড়াইয়ে তিনিই এগিয়ে থাকবেন, বলছেন এলাকাবাসী।
সীমান্তের শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা নিয়ে শেরপুর-৩ আসন। মোট ভোটার ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন। গারো পাহাড়বেষ্টিত এ আসনে বিগত সময়ে তেমন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। তাই অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারেনি এ অঞ্চলের আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
এ এলাকার সবচেয়ে বড় সমস্যা হাতি আর মানুষের দ্বন্দ্ব। এ দ্বন্দ্বে গত এক দশকে মারা গেছে ৩৯ জন মানুষ, মারা পড়েছে ৩৫টি হাতিও। ফসল, ঘরবাড়িসহ ক্ষতির পরিমাণটাও কম নয়।
তাই হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনই এখন এ এলাকার মানুষের প্রধান দাবি। যে প্রার্থী এ সমস্যার সমাধান করতে পারবেন ভোটের মাঠে তিনিই এগিয়ে থাকবেন বলে জানাচ্ছেন ভোটারেরা।
এ দাবির পক্ষে নিজেদের অবস্থানের কথা জানালেন প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী।
বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, ‘নির্বাচিত হলে মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে সরকারিভাবে স্থায়ী পদক্ষেপ নেব।’
জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. নুরুজ্জামান বাদল বলেন, ‘নির্বাচিত হলে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে পদক্ষেপ নেব। আমার বিশ্বাস এই প্রাণীদের জন্য অভয়ারণ্য সৃষ্টি করতে পারলে বিশেষ করে হাতি দেখতে শেরপুরে অনেক পর্যটক আসবে।’
উন্নয়নের দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়া এ আসনটিতে বিএনপি, জামায়াত, স্বতন্ত্রসহ পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবারের নির্বাচনে।
মন্তব্য