ময়মনসিংহ বন বিভাগের বালিজুরী রেঞ্জ, রেঞ্জ কার্যালয়ের অদূরে খ্রিস্টান পাড়া শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ সভার আয়োজন করে। বালিজুরী রেঞ্জ কর্মকর্তা সুমন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রীবরদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাসিব উল আহসান।
শেরপুরের গারো পাহাড়ে মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে বন বিভাগের সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত
শেরপুরের গারো পাহাড়ে মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে বন বিভাগের সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত
প্রাকৃতিক বন ধ্বংস, বন কেটে ফসলের জমি তৈরি করায় আবাসস্থল ও খাদ্য সংকটের কারণে মাঝে মধ্যেই হাতি লোকালয়ে প্রবেশ করছে। ফলে হাতি-মানুষ দ্বন্দ্ব ক্রমেই প্রকট হচ্ছে। এতে ক্ষতি হচ্ছে জান ও মালের। নিরাপদ নেই হাতিরাও। প্রতি বছর মানুষ-হাতি দ্বন্দ্বে প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে মানুষ ও হাতি উভয়েরই।
মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসন, সামাজিক গণসচেতনতা সৃষ্টি ও হাতির বিচরণ ক্ষেত্র সংরক্ষণ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে শেরপুরের সীমান্তবর্তী শ্রীবরদী উপজেলার গারো পাহাড়ে বুধবার দুপুরে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ময়মনসিংহ বন বিভাগের বালিজুরী রেঞ্জ, রেঞ্জ কার্যালয়ের অদূরে খ্রিস্টান পাড়া শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ সভার আয়োজন করে। বালিজুরী রেঞ্জ কর্মকর্তা সুমন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রীবরদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাসিব উল আহসান।
এতে বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান আকন্দ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, রাংটিয়া রেঞ্জের ডেপুটি রেঞ্জার আব্দুল করিম, উপজেলা ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন একাংশের চেয়ারম্যান লেবানুস মারাক, রানীশিমুল ইউনিয়ন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মীর রোকনুজ্জামান লাখু, সাধারণ সম্পাদক শাকিল আহমেদ তালুকদার, বাগান উপকারভোগী নাফিউর রহমান, জামরুল চৌধুরী প্রমুখ।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রীবরদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাসিব উল আহসান বলেন, হাতি-মানুষ দ্বন্দ্ব নিরসনে সবারই নিজ নিজ জায়গা থেকে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। আমাদের গারো পাহাড়, বনভূমি, বন্যপ্রাণী বিশেষ করে হাতি আমাদের ঐতিহ্য এবং এ এলাকার প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় এসব বিশেষ ভূমিকা রেখে আসছে। তাই বনভূমি, বণ্যপ্রাণী, হাতি, মানুষ, ফসল, ঘর-বাড়ি ও পরিবেশ রক্ষার জন্য আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। হাতি দ্বারা মানুষের জান-মালের ক্ষতি হলে সরকার নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত সময়ের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দিয়ে আসছে। ক্ষতিপূরণের বরাদ্দ যাতে বাড়ানো হয় এ ব্যাপারে উচ্চ পর্যায়ে আমরা কথা বলবো। তিনি বলেন, মানুষ যেহেতু ‘আশরাফুল মাখলুকাত।’ তাই মানুষকে এই বিবেচনাতেই বন, বন্যপ্রাণী বিশেষ করে হাতি রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে।
সভা সঞ্চালনা করেন বন বিভাগের এফজি শামীম আহমেদ। সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভাগীয় কর্মকর্তা, সামাজিক বনায়নের উপকারভোগী, ইআরটি সদস্য, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য