মোংলা সমুদ্র বন্দরে এক বছরে বিদেশি জাহাজ এসেছে ৮৪৬টি

সর্বমোট পঠিত : 43 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শাহীন রহমান যোগদান করার পর থেকে বন্দরের সাথে সংশ্লিষ্ট আমদানি-রপ্তানিকারক, বিজিএমইএ, গাড়ি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও বন্দর উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সাথে একাধিকবার বৈঠকের মাধ্যমে বন্দরের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। বন্দরের প্রতিটি বিভাগে অনিয়ম, ঘুষ বাণিজ্য বন্ধ করা সহ স্বচ্ছ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।


সদ্য বিদায়ী ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে মোংলা সমুদ্র বন্দরে বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ এসেছে ৮৪৬টি। এ অর্থবছরে বন্দরে ১৫০০ জাহাজ আনার পরিকল্পনা থাকলেও সেটি বাস্তবায়ন করতে পারেনি বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে বন্দরে জাহাজ এসেছে ৮২৭টি। অর্থাৎ এক বছরে জাহাজ বেড়েছে ১৯টি। তবে আশার কথা হল পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর বন্দরে কন্টেইনারবাহী জাহাজ আসার সংখ্যা বেড়েছে। সেই সাথে বেড়েছে আমদানি-রপ্তানি। যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় দেশে উৎপাদিত গার্মেন্টস পণ্য মোংলা বন্দর দিয়ে রপ্তানি করা হচ্ছে। দেশে নির্মাণাধীন বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের মালামাল এ বন্দর দিয়ে খালাস হওয়ায় এখানে বেড়েছে কর্মচাঞ্চলতা।

দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর হিসেবে গাড়ি আমদানিতে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে মোংলা বন্দর। বিদেশ থেকে আমদানি করা ৬৫ শতাংশ গাড়ি এ বন্দরের মাধ্যমে খালাস করা হচ্ছে। প্রতিমাসে ২-৩টি গাড়ির জাহাজ মোংলা বন্দরে আসে। এতে বন্দরের রাজস্ব আয় আগের তুলনায় বেড়েছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শাহীন রহমান যোগদান করার পর থেকে বন্দরের সাথে সংশ্লিষ্ট আমদানি-রপ্তানিকারক, বিজিএমইএ, গাড়ি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও বন্দর উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সাথে একাধিকবার বৈঠকের মাধ্যমে বন্দরের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। বন্দরের প্রতিটি বিভাগে অনিয়ম, ঘুষ বাণিজ্য বন্ধ করা সহ স্বচ্ছ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, মোংলা বন্দরে নানামূখী উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে ৬ হাজার ১৪ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে মাস্টার প্ল্যান চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের সাথে একাধিকবার বৈঠক করেছেন বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শাহীন রহমান।

সংস্থাটি আরো জানায়, পদ্মা সেতু এবং রেল নেটওয়ার্কে মোংলা বন্দর যুক্ত হওয়ায় বন্দরের কার্যক্রম আরো বাড়বে। প্রতিবছর জাহাজের সংখ্যা বাড়বে। বিশেষ করে ভারত, নেপাল ও ভুটানের সাথে মোংলা বন্দরের বাণিজ্য বাড়বে। ইতিমধ্যে নেপাল ও ভুটান মোংলা বন্দর ব্যবহারের আগ্রহ দেখিয়েছে। সরকারও এতে সম্মতি দিয়েছে। এ বন্দর ব্যবহার করলে একদিকে যেমন নেপাল ভুটানের বাণিজ্য খরচ কমবে তেমনি বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে। এ অঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি