গাইবান্ধায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

সর্বমোট পঠিত : 136 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

মঙ্গলবার রাতে আগুন লাগার বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ আরিফ রেজা মিলু বলেন, খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১১টার মধ্যেই আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পেরেছি। সেখানে আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়েছে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট হলে মিটার পুড়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু আগুনে এতকিছু পুড়ে গেল অথচ প্রতিটি দোকানের মিটার ঠিক আছে। তাই তদন্ত সাপেক্ষে আগুনের কারণ জানা যাবে। ক্ষতিগ্রস্তদের বক্তব্য অনুযায়ী কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলা হলেও আমরা অর্ধেক ক্ষতি হিসেব করে ৫০ লাখ টাকার সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণ করেছি।


গাইবান্ধায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি বসতবাড়িসহ ১০টি দোকান ভস্মীভূত হয়েছে। এতে প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও ব্যবসায়ীরা। সোমবার রাত ১১টার দিকে সদর উপজেলার দাড়িয়াপুর হাটের তেতুলতলা মার্কেটে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ১১ টার দিকে দাড়িয়াপুরের তেতুল তলায় অবস্থিত সুজন কুমারের সেবা ফার্মেসিতে আগুন লেগেছে জানতে পারেন। আগুন লাগার খবর শুনে আশেপাশের লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। সেইসাথে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ করে এবং দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। ততক্ষণে আগুনে ১০টি ঔষধের ফার্মেসি, গো-খাদ্যের দোকান, মেশিনারিজ দোকান এবং নয়ন কুমারের সাত রুম বিশিষ্ট একটি আধা পাকা বাড়ির ফ্রিজ, টিভি, মালামাল ও আসবাবপত্র পুড়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও ব্যবসায়ীরা। তবে, কিভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়, কেউ তা বলতে পারেনি। এসময় সব হারিয়ে নিঃস্ব ব্যবসায়ীদের কান্নায় পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে।

মঙ্গলবার রাতে আগুন লাগার বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ আরিফ রেজা মিলু বলেন, খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১১টার মধ্যেই আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পেরেছি। সেখানে আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়েছে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট হলে মিটার পুড়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু আগুনে এতকিছু পুড়ে গেল অথচ প্রতিটি দোকানের মিটার ঠিক আছে। তাই তদন্ত সাপেক্ষে আগুনের কারণ জানা যাবে। ক্ষতিগ্রস্তদের বক্তব্য অনুযায়ী কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলা হলেও আমরা অর্ধেক ক্ষতি হিসেব করে ৫০ লাখ টাকার সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণ করেছি।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি