বড়দিনের যে ৫ প্রথা

সর্বমোট পঠিত : 63 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বড়দিন। ক্রিসমাসের আনন্দ বইতে শুরু করেছে। এদিনে যিশু খৃস্টের জন্ম হয়। বড়দিন মানেই জানালায় মোজা ঝুলিয়ে সান্টা ক্লজের অপেক্ষা করা , ক্রিসমাস ট্রি ও বেলের টুংটাং আওয়াজ, ক্রিসমাস ক্যারল এবং কেকের গন্ধ ।


মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বড়দিন। ক্রিসমাসের আনন্দ বইতে শুরু করেছে। এদিনে যিশু খৃস্টের জন্ম হয়। বড়দিন মানেই জানালায় মোজা ঝুলিয়ে সান্টা ক্লজের অপেক্ষা করা , ক্রিসমাস ট্রি ও বেলের টুংটাং আওয়াজ, ক্রিসমাস ক্যারল এবং কেকের গন্ধ ।

এই বিষয়গুলোর সঙ্গে রয়েছে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের কিছু বিশ্বাস। সেই বিশ্বাস থেকেই প্রথাগুলো পালন করা হয়।

ঝুলিয়ে রাখা মোজা

বড়দিনের আগের রাতে জানালায় মোজা ঝুলিয়ে রাখে ছোট বাচ্চারা। মনে করা হয় এই মোজার ভেতরেই উপহার রেখে যান সান্টা ক্লজ। এই বিষয়ে একটি গল্প প্রচলিত আছে। এক গরীব মানুষের তিনটি মেয়ে ছিল। এই মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার মতো আর্থিক সঙ্গতি ওই ব্যক্তির ছিল না। তাঁকে সাহায্য করতে বড়দিনের রাতে সেন্ট নিকোলাস এক ব্যাগ সোনা তাঁর বাড়ির চিমনির মধ্যে দিয়ে ফেলে দেন। সেই ব্যাগ চিমনির মধ্যে দিয়ে গিয়ে পড়ে চিমনির কাছে ঝুলিয়ে রাখা মোজার মধ্যে। সেই থেকেই বড়দিনের রাতে মোজা ঝুলিয়ে রাখার প্রথা প্রচলিত। মনে করা হয় যে ওই মোজার ভেতরে খুশি আর আনন্দ ভরে দিয়ে যান সান্তা। সূত্র, এইসময় ও দ্য ওয়াল।

ক্রিসমাস ট্রি

ঘরের মধ্যে ক্রিসমাস ট্রি বানিয়ে রাখা হয়। মনে করা হয়, এই ট্রি সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসবে। ঘরে ক্রিসমাস ট্রি রাখলে তা নেগেটিভ এনার্জিকে সরিয়ে দেয়।

ক্রিসমাস বেল

ক্রিসমাস ট্রি অনেক কিছু দিয়ে সাজানো হয়। এরমধ্যে অন্যতম হল ক্রিসমাস বেল। ছোট ছোট ঘণ্টা ক্রিসমাস ট্রিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘণ্টার মিষ্টি আওয়াজ ঘরময় বাজতে থাকে। এতে মনে করা হয় ঘর থেকে অশুভ শক্তি পালাবে। কেউ কারো বাসায় এদিন গেলে ক্রিসমাস বেল বাজান।

মোমবাতি

বড়দিন পালনে চার্চে ও বাসায় মোমবাতি জ্বালানো হয়। মোমবাতির নরম আলোয় যিশু খৃস্টের জন্মদিনের পাশাপাশি সব দুঃখ যন্ত্রণা দূর হয়ে বলে মনে করা হয় । বিশ্বাস করা হয় মোমবাতি যতো বেশি প্রজ্জ্বলিত হবে ততো বেশি শুভ শক্তি অশুভ শক্তিকে দুরে রাখবে।

কেক

বড়দিনের কেক মানেই বিশাল কিছু। এদিন সবাইকে কেক খাইয়ে আনন্দের ভাগ দেওয়া হয়। বাসায় বাসয় কেক থাকে। অভ্যাগতদের কেক খাইয়ে আপ্যায়ন করা হয়। মনে করা হয়, মহান যীশুর জন্মদিনে এই কেক খেলে যীশু মনের যন্ত্রণা দুর করবেন।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি