আগাম জাতের তরমুজের ভালো ফলন


নিউজ ডেস্ক:
আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফেনী ও ভোলায় আগাম জাতের তরমুজের ফলন ভালো হয়েছে। বাজারে দাম ভালো থাকায় লাভের আশা করছেন কৃষকেরা।

এরইমধ্যে মাঠ থেকে তরমুজ সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো শুরু করেছেন পাইকাররা। ফেনীর সোনাগাজীর বিভিন্ন গ্রামের জমিতে জমিতে পেকে ওঠেছে আগাম জাতের তরমুজ। সেগুলো তুলে ট্রলি-ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিভিন্ন হাটে। এবার ফেনীতে ৩১৭ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। বিঘা প্রতি খরচ হয়েছে ১৫-২০ হাজার টাকা। হেক্টর প্রতি তরমুজের ফলন হয়েছে ৫০-৬০ টন। সবকিছু ঠিক থাকলে হেক্টর প্রতি দেড় লাখ টাকা করে লাভ হবে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

কৃষকরা বলছেন, বৃষ্টি না হওয়ার কারণে প্রচুর ফলন হয়েছে। জমিও অনেক ভালো। তারা এবার অনেক লাভবান হয়েছে।

স্থানীয় বাজারে আকারভেদে গড়ে প্রতিটি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকায়।

চাষিদের সব ধরনের সহযোগিতা দেয়ার কথা জানিয়েছে ফেনীর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক (ভারপাপ্ত) মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, তরমুজ চাষিদের এ বছর প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় প্রায় ১৫ টি ডেমোনেস্টেশন দেয়া হয়েছে।

এদিকে, ভোলার মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীর মধ্যবর্তী এলাকায় জেগে ওঠা বিচ্ছিন্ন চরে আগাম তরমুজ চাষ করে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় তরমুজের ফলন ভালো হয়েছে। তবে বৃষ্টি না হওয়ায় সমুদ্রের লবণাক্ত পানি মেঘনা নদীতে চলে আসায় ফসলের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। চাষিদের অভিযোগ, বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চল হওয়ায় কৃষি বিভাগের তেমন কোন সহযোগিতা পাননি।

এক কৃষক বলেন, ‘কৃষি বিভাগ কখনোই আমাদের কাছে কোন সহায়তা নিয়ে আসেনি। আমরা নিজেরাই সব করি। ফসলও অনেক ভালো হয়েছে।’

ঢাকাসহ বিভিন্ন মোকামের ব্যবসায়ীরা মাঠ থেকে তরমুজ সংগ্রহ করছেন।

ভোলা জেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনায়েত উল্লাহ্ বলেন, ‘কারিগরি সহযোগিতা নিশ্চিত করে আমরা তাদেরকে আগামীতে আরো বেশি জমিতে ফসল ফলানোর জন্য আগ্রহী করে তুলতে পারবো। এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

এবছর ভোলায় ৫ হাজার ৫৫৬ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে।

Top
ঘোষনাঃ