১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার হাত ধরেই শুরু হয় মোংলা বন্দরের উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ : মেয়র খালেক


মনির হোসেন,মোংলা:
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামীলীগ সরকার যখন ক্ষমতায় আসে তখন রামপাল মোংলার সাংসদ হিসেবে আমাকে
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তখন আমি প্রধানমন্ত্রীর সাথে কিভাবে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়নের স্বার্থে মোংলা বন্দরকে গতিশীল করা যায় সেবিষয়ে আলাপ আলোচনা করি। কয়েকদিন পরেই প্রধানমন্ত্রী আমাকে জানালেন মোংলা বন্দরের কোথায় কিভাবে উন্নয়ন করা যায় তার একটা মাস্টার প্ল্যান তৈরী করতে। আর যদি সমস্যা হয় আমাকে (শেখ হাসিনা) জানাবেন। এভাবে উন্নয়ন কাজে আমাকে সাহস জুগিয়েছেন তিনি।

সুতরাং ১৯৯৬ সাল থেকেই শেখ হাসিনার নির্দেশেই শুরু হয় মোংলার উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ। ”

বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) দুপুর ১২ টায় মোংলা বন্দর শ্রমিক কল্যাণ চিকিৎসা কেন্দ্রের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি। বন্দরের পরিচালক( প্রশাসন) গিয়াসউদ্দিন সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম শাহজাহান, বিএনপিপি,এনডিসি, পিএসসি, বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশন খুলনা শাখার সভাপতি মোঃ সুলতান হোসেন খান, মোংলা বন্দর বার্থ এন্ড শিপ অপারেটর এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা জিসান ভুট্টা, মোংলা বন্দর শ্রমিক কর্মচারী সংঘের সভাপতি ওমর ফারুক সেন্টু প্রমূখ।
কেসিসি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক আরো বলেন, শেখ হাসিনাই সর্বপ্রথম মোংলায় ইপিজেড চালু করেছিলেন। কারন একটি বন্দরকে সচল রাখতে হলে সেখানে অবশ্যই ইপিজেড নির্মাণ করতে হবে একথা উপলব্ধি করেছিলেন। আর আজ সেই ইপিজেডে এখন হাজার হাজার নারী পুরুষ কাজ করছে। দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে মোংলা সমুদ্র বন্দর। অথচ ২০০১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে এ বন্দরকে মৃত বন্দর ঘোষনা করেছিল। ইপিজেড বন্ধ করে দিয়েছিল। এ অঞ্চলের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়েছিল। তারা যখন সরকারে ছিল তখন এই মোংলা বন্দরে বড় জাহাজ আগমনের স্বার্থে ৫৭ কোটি টাকা চেয়েছিলাম আমরা। কিন্তু তারা এ বন্দরকে মৃত ঘোষনা করে একটা টাকাও দেয় নাই। সেই ৫৭ কোটি টাকার ড্রেজিং আজকে ৭১২ কোটি ৫০ লাখ টাকায় আমরা সম্পন্ন করেছি। ড্রেজিং করা সেই চ্যানেল দিয়ে এখন বড় বড় জাহাজ বন্দরে আসছে।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বন্দরের হারবার মাস্টার কমান্ডার ফকর উদ্দিন, উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, বন্দরের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার নুর মোহাম্মদ, উপসচিব মাকরুজ্জামান মুন্সীসহ বন্দরের অন্যান্য কর্মকর্তা, আমদানি রপ্তানীকারক সংগঠনের প্রতিনিধি, শিপিং এজেন্টের এ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, বন্দর ব্যবহারকারী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রোনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ।

Top
ঘোষনাঃ