ঋণের বোঝা নিয়েও উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা যশোরের ফুল চাষিদের


নিউজ ডেস্ক:
করোনা ও আম্পানের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন যশোরের ফুল চাষিরা। এ জন্য নতুন করে শুরু করেছেন ফুলের গাছ লাগানো ও পরিচর্যার কাজ।

আশির দশক থেকে বাণিজ্যিকভাবে ফুল চাষ করে দেশে সাড়া জাগিয়েছেন যশোরের ফুল চাষিরা। জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী এলাকার চাষিরা গোলাপ, জারবেরা, গাঁদা, গ্লাডিউলাস, রজনীগন্ধা, জিপসি, রডস্টিক, কেলেনডোলা, চন্দ্রমল্লিকাসহ ১১ ধরনের ফুল চাষ করে দেশে গড়ে তুলেছেন ফুলের বিশাল বাজার।

এখানকার চাষিদের উৎপাদিত ফুল দিয়েই পূরণ হচ্ছে দেশের দুই তৃতীয়াংশ চাহিদা। কিন্তু বিশ্বব্যাপী চলা করোনা সংকট ও ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে গত মৌসুমে চরম ক্ষতির শিকার হন ফুল চাষিরা। তবে সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ফের ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন তারা। নতুন করে শুরু করেছেন ফুলের গাছ লাগানো, পরিচর্যা, সার ও সেচের কাজ। আশায় বুক বাঁধলেও চড়া সুদে নেয়ার ঋণের বোঝা আর আবারও করোনাভাইরাসের সংক্রমণের শঙ্কা পিছু ছাড়ছে না তাদের।

বাংলাদেশ ফ্লাওয়ারস সোসাইটির সভাপতি আবদুর রহিম বলেন, ফুল চাষিদের জন্য কৃষি প্রণোদনার বাইরে বিশেষ ঋণ সুবিধার ব্যবস্থা করলে সম্ভাবনাময় ফুল চাষকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব।

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, জেলায় প্রায় ৬ হাজার কৃষক দেড় হাজার হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে ফুল চাষ করেন।

Top
ঘোষনাঃ