শেরপুরে পিছিয়ে পড়া সাংস্কৃতিক অঙ্গণকে এগিয়ে নিতে ও  কালচারাল অফিসারের অপসারণ দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেরপুরের পিছিয়ে পড়া সাংস্কৃতিক অঙ্গণকে এগিয়ে নিতে ও জেলা কালচারাল অফিসারের অপসারণ দাবিতে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে শেরপুর সাংস্কৃতিক পরিবার। ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুবের হাতে শেরপুর সাংস্কৃতিক পরিবারের তরফ থেকে ওই স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয়। ওইসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ওয়ালীউল হাসান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নমিতা দে, সদর উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান ও সংস্কৃতিকর্মী সাবিহা জামান শাপলা, এনডিসি মিজানুর রহমান, সংস্কৃতিকর্মী সাইফুল ইসলাম শাহীন, শেরপুর সাংস্কৃতিক পরিবারের আহবায়ক ইউসুফ আলী রবিনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ওইসময় সাংস্কৃতিক পরিবারের সদস্যরা জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুবের সাথে শেরপুরের সাংস্কৃতিক অঙ্গণের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। সেইসাথে করোনাকালীন সময়ে দুঃস্থ সংস্কৃতি কর্মীদের ভাতা বিতরণের তালিকা প্রণয়নে অনিয়মসহ জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে নানা অনিয়ম-দুর্নীতিতে জেলা কালচারাল অফিসারের সম্পৃক্ততা তুলে ধরে তার অপসারণ দাবি করেন তারা।
এছাড়া সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড বাড়াতে একটি মুক্তমঞ্চের ব্যবস্থা গ্রহণ, জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে শিল্পচর্চা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করা, সংস্কৃতিচর্চা বৃদ্ধি, গুণী শিল্পী সংবর্ধনা-সম্মাননা প্রদানসহ বেশ কিছু দাবি পেশ করা হয়।

ওইসময় জেলা প্রশাসক শেরপুরের সকল সাংস্কৃতিক কর্মীদের নিয়ে একটি জুম মিটিং এর আয়োাজন করার আশ্বাস দেন এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমির সকল প্রকার অনিয়ম-দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে আশ্বস্ত করেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি পৌর অডিটোরিয়ামে জেলার সাংস্কৃতিক কর্মীদের নিয়ে একটি মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই আলোচনা সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক বেশ কিছু প্রস্তাবনা জেলা প্রশাসক বরাবর প্রদানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আজ জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

Top
ঘোষনাঃ